Goodman Travels

পাবনায় বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ

ফাইল ছবি

বার্তা সংস্থা পিপ : পাবনা চাটমোহর উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নে শরৎগঞ্জ টিএ উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগের আগেই ১৩ থেকে ১৬ লক্ষ টাকার অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ সাচ্চু সরকার ও মোঃ মুকুল হোসেন তারা দুইজনই গত ১৪/০৭/১৯ ইং তারিখে পাবনা জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করেন। উক্ত অভিযোগে বলা হয় অত্র প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আফজাল হোসেন এবং প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু সাঈদ ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ হেলালুর রহমান ওরফে (হেলাল)সহ ম্যানেজিং কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দদ্বয় উক্ত নিয়োগ বাণিজ্য করেন গত ৭/৭/১৯ ইং তারিখে। আরও বলা হয়েছে গত ০৫/৭/১৯ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় উক্ত বিদ্যালয়ে, আরও অভিযোগ করেছেন সভাপতির ভাতিজা প্রধান শিক্ষকের ভাগ্নে এবং তৃতীয় এক ব্যক্তি উক্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি উভয়ের ক্যান্ডিডেট থাকায় তাদের মধ্যে বনিবনা ও দরকষাকষি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে।

 

অভিযোগে বলা হয়েছে উক্ত নিয়োগ দুই দুইবার বাতিল করেছেন সভাপতি সাহেব। সভাপতির কমিটির মেয়াদ সময়সীমা গত জুলাই’১৯ শেষ হয়ে গেছে। সভাপতি প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মিলে তৃতীয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তৃতীয় ব্যক্তি, প্রধান শিক্ষকের ভাগ্নে ও সভাপতির ভাতিজার চেয়ে কম শিক্ষিত ব্যক্তি। এলাকার সচেতন মানুষের দাবী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যদি শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কালো টাকার প্রভাব পড়ে তাহলে মেধাবী শিক্ষকের বিকাশ কিভাবে আসা করা যায়। আর কিভাবে আসা করা যায় শেখ হাসিনার সোনার বাংলা। অভিযোগে আরও উল্লেখ করেছেন আমরা অনেক আশা নিয়ে উক্ত বিদ্যালয়ে অভিভাবকের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছি বটে কিন্তু নিজের বিবেকের কাছে আমাদের প্রশ্ন, এইভাবে যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি হয় তাহলে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা কি শিক্ষা পাবে।

 

অভিযোগে বলা হয়েছে আমরাসহ এলাকার মানুষের দাবী প্রকৃত যোগ্যতার ভিত্তিতে একজন দক্ষ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হোক। জেলা প্রশাসক শিক্ষা বরাবর গত ১৪/০৭/১৯ তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরও প্রশাসনিক কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেন নাই বলে একটি সূত্রে জানা যায়।