Goodman Travels

পাবনায় বোনের মৃত্যুর খবরে প্রাণ গেল ভাইয়েরও

নিউজ ডেস্ক: পাবনার চাটমোহরে শীলা খাতুন (১২) নামে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর পর বোনের জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাঈম হোসেন (২২) নামে এক পোশাক কর্মীর।

তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন। একই দিনে দুই ভাই-বোনের মৃত্যুতে শোকে ছায়া নেমে এসেছে উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে।

শীলা চরপাড়া গ্রামের আত্তাব আলীর মেয়ে ও উত্তর সেনগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। নাঈম একই গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। সে গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতো।

পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে হালকা জ্বরে ভুগছিল শীলা। সোমবার রাতে হটাৎ করেই অসুস্থতা বেড়ে গেলে স্বজনরা তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় মারা যায় শীলা।

এদিকে শীলার মৃত্যুর খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর থেকে নাঈম বোনের জানাজায় অংশ নেয়ার জন্য বাড়ির পথে রওনা দেয়। বাসের অপেক্ষায় গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় দাঁড়িয়েছিল। এ সময় দ্রুতগামী একটি ট্রাক রাস্তার পাশে দাঁড়ানো নাঈমকে চাপা দিলে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন।

একই দিনে একই পরিবারের দুই ভাই-বোনের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকার মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন তাদের স্বজনরা।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার অসীম কুমার জানান, ঘটনাটি শুনেছি। একই দিনে ভাই-বোনের মৃত্যুর ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। দুটি পরিবারকে যতটুকু সম্ভব সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেয়া হবে।db

পাবনার চাটমোহরে শীলা খাতুন (১২) নামে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর পর বোনের জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নাঈম হোসেন (২২) নামে এক পোশাক কর্মীর।

তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন। একই দিনে দুই ভাই-বোনের মৃত্যুতে শোকে ছায়া নেমে এসেছে উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে।

শীলা চরপাড়া গ্রামের আত্তাব আলীর মেয়ে ও উত্তর সেনগ্রাম উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। নাঈম একই গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। সে গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতো।

পরিবারের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন ধরে হালকা জ্বরে ভুগছিল শীলা। সোমবার রাতে হটাৎ করেই অসুস্থতা বেড়ে গেলে স্বজনরা তাকে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় মারা যায় শীলা।

এদিকে শীলার মৃত্যুর খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর থেকে নাঈম বোনের জানাজায় অংশ নেয়ার জন্য বাড়ির পথে রওনা দেয়। বাসের অপেক্ষায় গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় দাঁড়িয়েছিল। এ সময় দ্রুতগামী একটি ট্রাক রাস্তার পাশে দাঁড়ানো নাঈমকে চাপা দিলে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন।

একই দিনে একই পরিবারের দুই ভাই-বোনের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকার মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন তাদের স্বজনরা।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরকার অসীম কুমার জানান, ঘটনাটি শুনেছি। একই দিনে ভাই-বোনের মৃত্যুর ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। দুটি পরিবারকে যতটুকু সম্ভব সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেয়া হবে।

 

-যুগান্তর