বিশ্বকাপ ইতিহাসে সেরা অলরাউন্ডার সাকিব

খেলাধুলা

স্পোর্টস ডেস্ক: এবারের বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সাকিব আল হাসান। এটি উপলব্ধি করার জন্য ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই।

এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচে ৬ ইনিংস খেলে ৪৭৬ রান নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। এ পথে দুটি সেঞ্চুরি ও তিনটি হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

বল হাতেও প্রতিপক্ষের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছেন সাকিব। আসরে সর্বোচ্চ ১০ উইকেট শিকারির তালিকাতেও রয়েছেন তিনি। ১০ উইকেট নিয়ে অষ্টম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন এ টাইগার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে ওয়ানডে ক্রিকেটে ছয় হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। তাতেই প্রমাণ করেন, এ ফরম্যাটে সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার কেন তিনি।

সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে ওয়ানডেতে ৫০০০ রান এবং ২৫০ উইকেট নেয়ার রেকর্ড ছিল তারই দখলে। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে শতক হাঁকিয়ে নতুন করে দ্রুততম ছয় হাজার রান ও ২৫০ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েন তিনি।

এ অর্জন আছে দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস, শ্রীলংকার সনাথ জয়াসুরিয়া এবং পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদির। সাকিবের আগে আফ্রিদিই ছিলেন সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে এ মাইলফলকে পৌঁছানোর রেকর্ডের মালিক।

সোমবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব। এ পথে বিশ্বকাপ ইতিহাসে ১৬তম ক্রিকেটার হিসেবে এক হাজার রান করার কৃতিত্ব গড়েছেন তিনি। বলা বাহুল্য, বিশ্বকাপে এক হাজার রান করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার তিনিই।

এদিন বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে বিশ্বকাপে এক ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি এবং ৫ উইকেট নেয়া দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছেন সাকিব। এতদিন এ রেকর্ডটির একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন ভারতের যুবরাজ সিং।

বিশ্বকাপে অলরাউন্ড নৈপুণ্যের রেকর্ডের হিসাব করলে কাগজ-কলমে এখন বলাই যায়, ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ক্রিকেটার সাকিব। কারণ বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে ১ হাজার রান করা এবং ৩০ উইকেট নেয়া একমাত্র ক্রিকেটার তিনিই।

এর আগে এক হাজার ১৬৫ রান এবং ২৭ উইকেট নিয়ে ৫টি বিশ্বকাপ খেলা জয়াসুরিয়া ছিলেন পরিসংখ্যানের খাতায় সেরা অলরাউন্ডার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *