Goodman Travels

শুকিয়ে যাচ্ছে ওদের হাত-পা, হারিয়ে যাচ্ছে উচ্ছ্বলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেড়া : এগারো বছর বয়সী সাব্বির ও নয় বছর বয়সী রাব্বি দুই ভাই। নাম না জানা রোগে মৃত্য পথের য়াত্রী তারা । গরীব অসহায় বাবার সাধ্য নেই চিকিৎসা করার । বেড়া উপজেলার সিন্দুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র তারা ।

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার কাবাসকান্দা গ্রামের দরীদ্র বাস চালক মিন্টু সেখের ৩ ছেলে নিয়ে তার সুখের পরিবার। হটাৎ যেন সুখের ঘরে দুখের ছায়া নেমে আসে । বছর খানেক আগেও বইখাতা নিয়ে সহপাঠিদের সাথে স্কুলে যেত সাব্বির ও রাব্বি । লেখাপড়ায়, কী খেলাধুলায় মেতে থাকতো সারাদিন। কিন্তু উচ্ছ্বল-প্রাণবন্ত ওই শিশুদুটির হাসিতে হঠাৎই যেন ছন্দপতন ঘটলো। বন্ধ হয়ে গেলো স্কুলে যাওয়া।

সাব্বিরের বছর খানেক আগে হাত ও পা শুকিয়ে যেতে থাকে। পরবর্তীতে মাস ছয় পরে ছোট ছেলে রাব্বিরও একইভাবে হাত ও পা শুকাতে থাকে। দু‘জনকে নিয়েই মিন্টু বিভিন্ন সময়ে পাবনা-রাজশাহী-ঢাকায় দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে থাকেন চিকিৎসার জন্য। কোন ডাক্তারই ওদের রোগ ধরতে পারেননি। ডাক্তারদের মতে, প্রতিবেশি দেশ ভারতে নিলে হয়তো চিকিৎসা ও আরোগ্য সম্ভব। অন্যথায় তাদের বাঁচানো যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে দুই লক্ষাধিক টাকা। কিন্তু দরীদ্র বাস চালক মিন্টুর পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো কোনমতেই সম্ভব নয়। তবে মিন্টুর ধারণা বিত্তবানদের একটুখানি চেষ্টায় বেঁচে যেতে পারে দুটি প্রাণবন্ত ও উচ্ছ্বল প্রাণ, তাদের স্বপ্ন। দিন দিন মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ওরা। অসহায় বাবা-মায়ের বোবা কান্না আর ওই শিশুদের আকুতিভরা চাহনী পাড়া প্রতিবেশীদের মনকেও যেন ভারী করে তুলেছে।

এমতাবস্থায় তাদের বাবা মিন্টু বলেন, চিকিৎসার জন্য আমি সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তির আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের একটু সহযোগিতায় বাঁচাতে ্পারে আমার দুটি সন্তানের জীবন । চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা দিতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন এই
মোবাইল নম্বরে-০১৭২৭৮৮৫০৮৩।