ইতিহাস ঐতিহ্যের লীলাভূমি পাবনা জেলার ১৯০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

পাবনা সদর পাবনার ইতিহাস ঐতিহ্য লিড-নিউজ স্থানীয়-সংবাদ

নিউজ ডেস্ক:আজ ১৬ অক্টোবর ইতিহাস ঐতিহ্যের লীলাভূমি পাবনা জেলার ১৯০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন জেলা শহর পাবনা ১৮২৮ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন সরকারের ৩১২৪ নং স্মারকে পাবনাকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পাবনা জেলা ৯ টি উপজেলা, ১১ টি থানা ও ৭৩ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

এদিন পাবনার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন কেক কেটে ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি করে দিনটি উদযাপন করছে।

বাংলাদেশে অবস্থিত পাবনা জেলা রাজশাহী বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব কোণ সৃষ্টি করেছে। এটি ২৩°৪৮′ হতে ২৪°৪৭′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০২′ হতে ৮৯°৫০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। এর উত্তর দিক ঘিরে আছে সিরাজগঞ্জ জেলা আর দক্ষিণে পদ্মা নদী একে ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া জেলা হতে পৃথক করেছে। এর পূর্ব প্রান্তদিয়ে যমুনা নদী বয়ে গেছে এবং পশ্চিমে নাটোর জেলা। পাবনার কাজীরহাট নামক স্থানে পদ্মা ও যমুনা নদী পরস্পর মিলিত হয়েছে।

গত ২০১০ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী জেলার মোট জনসংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৯৭ হাজার জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৫০ হাজার এবং নারী ১২ লাখ ৪৭ হাজার জন।

৩শ’ ৫১ দশমিক ৫০ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট পাবনা জেলা বর্তমানে ৯টি উপজেলা ও ৭৩ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

১৮২৮ খ্রিস্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা স্বীকৃতি লাভ করে। ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দের দিকে জেলার বেশির ভাগ অংশ রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখনকার দিনে এসব এলাকায় সরকারের দায়িত্বপূর্ণ কর্মচারীদের খুব অভাব ছিল। পুলিশের অযোগ্যতা এবং জমিদারদের পক্ষ থেকে ডাকাতি ঘটনার তথ্য গোপন রাখা বা এড়িয়ে যাওয়া হতো। গ্রামাঞ্চলে ডাকাতেরা দলে দলে ঘুরে বেড়াত। চলনবিল এলাকায় জলদস্যুদের উপদ্রব চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এদের প্রতিরোধ করতে ও শাসনতান্ত্রিক সুবন্দোবস্তের জন্যে কোম্পানি সরকারের মন্তব্য অনুসারে পাবনায় সামগ্রিক ভাবে ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে তা স্থায়ী রূপ লাভ করে এবং তাকে স্বতন্ত্র ডিপুটি কালেক্টর রুপে নিয়োগ করা হয়।

রাজশাহী জেলার ৫টি থানা ও যশোর জেলার ৩টি থানা নিয়ে সর্ব প্রথম পাবনা জেলা গঠিত হয়। সময় সময় এর এলাকা ও সীমানার পরিবর্তন ঘটেছে। ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দের ২১ নভেম্বর যশোরের খোকসা থানা পাবনা ভুক্ত করা হয়। অন্যান্য থানা গুলোর মধ্যে ছিল রাজশাহীর খেতুপাড়া, মথুরা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ ও পাবনা। ‘যশোরের চারটি থানা ধরমপুর, মধুপুর, কুস্টিয়া ও পাংশা’। তখন পশ্চিম বাংলার মালদহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ ডব্লিউ মিলস জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিযুক্ত হন পাবনায়। ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে সেশন জজের পদ সৃষ্টি হলে এ জেলা রাজশাহীর দায়রা জজের অধীনে যায়। ১৮৪৮ খৃস্টাব্দের ১৭ অক্টোবর জেলার পূর্ব সীমা নির্দিস্ট করা হয় যমুনা নদী। ১২ জানুয়ারি ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জ থানাকে মোমেনশাহী জেলা থেকে কেটে নিয়ে ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে মহকুমায় উন্নীত করে পাবনা ভুক্ত করা হয়। নিযুক্ত করা হয় ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। এর ২০ বছর পর রায়গঞ্জ থানা এ জেলায় সামিল হয়।

নীল বিদ্রোহ চলাকালে শান্তি শৃংখলার অবনতি হলে লর্ড ক্যানিং ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে জেলায় একজন কালেক্টর নিযুক্ত করেন। এর আগে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে জেলা প্রশাসক হয়ে আসেন টি.ই. রেভেন্স। ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জ ও ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে পাবনায় মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয়। ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে প্রবর্তিত হয় জেলা বোর্ড। যখন কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে তখন স্বভাবতই এ জেলা ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী মহারাণী ডিক্টোরিয়ার শাসনাধীনে চলে যায়। ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে পাংশা, খোকসা ও বালিয়াকান্দি এই তিনটি থানা নিয়ে পাবনার অধীনে কুমারখালী মহকুমা গঠন করা হয়। ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়া থানা এ জেলা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে পাংশা থানা ফরিদপুর জেলার গোয়ালন্দ মহকুমায় এবং কুমারখালী থানা কুষ্টিয়া মহকুমার সাথে সংযুক্ত করা হয়। এ ভাবে এ জেলার দক্ষিণ সীমানা হয় পদ্মা নদী। ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে কুমারখালী থানা সৃষ্টি হলে তা ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে পাবনার একটি মহকুমা হয়। ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে মহকুমা অবলুপ্ত করে কুষ্টিয়া মহকুমার অংশ করা হয়। ১৮৭৯ তে জজ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আগে কয়েকটি থানা বদলে যায়।

পাবনা নামের উদ্ভব সম্পর্কে বিশেষ ভাবে কিছু জানা যায় না। তবে বিভিন্ন মতবাদ আছে। প্রত্নতাত্মিক কানিংহাম অনুমান করেন যে, প্রাচীন রাজ্য পুন্ড্র বা পুন্ড্রবর্ধনের নাম থেকে পাবনা নামের উদ্ভব হয়ে থাকতে পারে। তবে সাধারণ বিশ্বাস পাবনী নামের একটি নদীর মিলিত স্রোত ধারার নামানুসারে এলাকার নাম হয় পাবনা।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহ:

আটঘরিয়া উপজেলা,
ঈশ্বরদী উপজেলা,
চাটমোহর উপজেলা,
পাবনা সদর উপজেলা,
ফরিদপুর উপজেলা,
বেড়া উপজেলা,
ভাঙ্গুড়া উপজেলা,
সাঁথিয়া উপজেলা,
সুজানগর উপজেলা,
আমিনপুর থানা,
আতাইকুলা থানা।

যোগাযোগ ব্যবস্থা:

এই জেলার সড়ক, স্থল, জলপথ ও বিমানপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল কাছাকাছি পাবনা রেলওয়ে স্টেশন অবস্থিত। কাছাকাছি রেল স্টেশনগুলি তেবুনিয়া, চাটমোহর উপজেলা ও ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত। ঈশ্বরদী উপজেলা উত্তর বাংলার এবং বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি রেলওয়ে শাখা। এই জেলায় নয়টি রেলওয়ে স্টেশন আছে: ঈশ্বরদী, ঈশ্বরদী বাইপাস, পাকশি, মুলাদুলী, চাটমোহর, ভঙ্গুর, বরল সেতু, শারত নগর, দিলপশার এবং গুয়াকারা। পাবনা টু ঢালারচর নতুন রেল রাস্তা তৈরী হচ্ছে। যার অর্ধেক কাজ প্রায় শেষ। [৫] ঈশ্বরদী উপজেলায় একটি বিমানবন্দর রয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঈশ্বরদীতে সপ্তাহে দুইবার বিমান পরিচালনা করত। তবে, এই মুহূর্তে কোনও উড়োজাহাজ কোম্পানি ঈশ্বরদীতে কোন বিমান পরিচালনা করছে না। এছাড়াও পানিপথে আরিচা – কাজিরহাট হয়ে দিনে বেশ কয়েকটি লঞ্চ ও স্পীডবোর্ড চলাচল করে। যার ফলে রাজধানী থেকে খুব সহজে পাবনা যাতাযাত করা যায়।

কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব

মহানায়িকা সুচিত্রা সেন বাংলা চলচিত্রের কিংবদন্তী। সাইফুল আজম পৃথিবীর ২২ জন লিভিং ঈগলের একজন, যিনি এখন পর্যন্ত ইজরাইলের সর্বোচ্চ বিমান ধ্বংসের রেকর্ড অর্জন করেন। তিনি একই সাথে চারটি দেশের বিমান বাহীনিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। [৬]
বাপ্পা মজুমদার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী।
বন্দে আলী মিয়া একজন বাংলাদেশী কবি, ঔপন্যাসিক, শিশু-সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও চিত্রকর।
মাহমুদা সুলতানা সর্ব কনিষ্ঠা “ইনোভেটর আব দ্য ইয়ার-২০১৭” বিজয়ী। তিনি সবচেয়ে কম বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সর্বোচ্চ পুরষ্কার ইনোভেটর অব দ্য ইয়ার অর্জন করেন।
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু
মোঃ মকবুল হোসেন এমপি, পাবনা౼৩ এলাকা, সভাপতি, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পকীত স্থায়ী কমিটি, ১০ম জাতীয় সংসদ, ౼কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য “বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক ১৪২৩ এ স্বণঁ পদক অর্জন করেন৷”
মোহিতমোহন মৈত্র (? – ২৮ মে ১৯৩৩) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।
রাজেন্দ্র লাহিড়ী (২৩ জুন ১৯০১ – ১৭ ডিসেম্বর ১৯২৭), ব্রিটিশদের ভারত থেকে উৎখাত করার জন্য হিন্দুস্তান রিপাবলিকান এসোসিয়েশনের নানা বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ব্যবসায়ী স্যামসন এইচ চৌধুরী অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, অভিনেতা ও পরিচালক সালাউদ্দিন লাভলু অভিনেতা আজিজুল হাকিম অভিনেতা শাহনাজ খুশি, চলচ্চিত্র পরিচালক বৃন্দাবন দাস,চলচ্চিত্র পরিচালক রেদওয়ান রনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা কমরেড জসীম উদ্দিন শিক্ষাবিদ আবুহেনা মোস্তফা কামাল, গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার- কবি ও গীতিকার।

চিত্তাকর্ষক স্থান:

ঐতিহাসিক তাড়াশ ভবন, লালন শাহ্ সেতু (ঈশ্বরদী), হার্ডিঞ্জ ব্রীজ (ঈশ্বরদী),পাবনা মানসিক হাসপাতাল, জোড় বাংলা মন্দির, তাড়া ভবন,পাকশী রিসোর্ট শাহী মসজিদ, চাটমোহর, জোড় বাংলা মাজার ভাঙ্গুড়া, সমাজ শাহী মসজিদ,আজিম চৌধুরীর জমিদার বাড়ি (দুলাই), শাহী মসজিদ (ভাড়ারা),শ্রী শ্রী অনুকৃল চন্দ্র ঠাকুরের আশ্রম (হেমায়েতপুর),নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস,বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র (ঈশ্বরদী),পাবনা সুগার মিল্স (ঈশ্বরদী),সাঁড়া ঘাটঈশ্বরদী বিমানবন্দর, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নগরবাড়ী ঘাট (আমিনপুর),স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল (শহর/বিসিক শিল্প নগরী),পাকশী কাঞ্চন পার্ক (সুজানগর),খয়রান ব্রীজ (সুজানগর), প্রশান্তি ভুবন বিনোদন পার্ক (জালালপুর), দুবলিয়া মেলা (দুর্গা পুজার সময়)বড়াল ব্রীজ, দীঘিরপিঠা (ফরিদপুর্‌), রাজা রায় বাহাদুরের বাড়ি (ফরিদপুর্‌), বেরুয়ান জামে মসজিদ (আটঘরিয়া) বেড়া পাম্প স্টেশন (বেড়া)।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান:
পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পাবনা মেডিকেল কলেজ, পাবনা কামিল মাদরাসা, দুলাউরি কামিল মাদরাসা, আরিফপুর ফাজিল মাদরাসা, পাবনা ইসলামিয়া মাদরাসা, পাবনা পলিটেকনিক্যাল,পাবনা জেলা স্কুল, পাবনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কৃষ্ণ স্কুল, আর এম একাডমেী স্কুল এন্ড কলেজ, সেলিম নাজির স্কুল এন্ড কলেজসহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে এই জেলাতে সম্প্রতি পাবনা জেলাকে শিক্ষা নগরী বলা হয়।

পাবনার কিছু প্রচলিত ভাষা।
১। পুকুর – ম্যাটিল।
২। মুরগী – কুরহি।
৩। হাঁস- চই।
৪। ছাগল – বরহি।
৫। বাতি – চ্যারাক।
৬। জংগল – জাতা।
৭। চামুচ – করচুল।
৮। হাতা- লাহুর।
৯। লুঙ্গি – তফন।
১০। লাউ- কদু।
১১। নদী – গাং।
১২। পাখি – পক্কি।
১৩। ডালঘুটনি – ওরং।
১৪। পেয়ারা- আমসবড়ি।
১৫। সুপারি – গুয়ি।
১৬। আঙ্গিনা – বারবিরি।
১৭। রাস্তা – আলোট।
১৮। গোসল – লাউয়া।
১৯। চিংড়ি – ইচি।
২০। ভর্তা – ছ্যেনা।
২১। কুয়াশা – ইঙিল।
২২। চুলা- আহা।
২৩। রান্না- নাদা।
২৪। জমি- বুই।
২৫। ক্ষেত – চহে।
২৬। শ্রমিক – পরিত।
২৭। প্রসাব- মূতা।
২৮। গরুর প্রসাব- চুনা।
২৯। ছেলে- ছাউয়াল।
৩০। গোবর – লাদ।
৩১। টিকটিকি- জেটি।
৩২। ঘুমানো – শুয়া।
৩৩। দুষ্টু – কল্লা।
৩৪। পাটখড়ি – শুলা।
৩৫। পাকা মেঝে – শান।
৩৬। ঠান্ডা- টাল।
৩৭। টিউবওয়েল – কল।
৩৮। নখ – চারা।
৩৯। বিষফোঁড়া – গাঁড়।
৪০। ইক্ষু – কুষির।
৪১। লবন- নূন।
৪২। টক – চুহি।
৪৩। চুলকাটা – খেউরি।
৪৪। চিরুনি – কাহোই।
৪৫। শুকুর – দাতাল।
৪৬। তাঁতি – জুলা।
৪৭। ভাতের ম্যার- ফ্যেন।
৪৮। শিমুল গাছ – মাদারগাছ।
৪৯। ধৌতকরণ – খাঁচা।
৫০। দেহ-গাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *